Header Ads

advt-102

সমাজ সংস্কৃতির প্রতিষেধক "শব্দলীলা"র জন্ম হল মুর্শিদাবাদে



সমাজ সংস্কৃতির প্রতিষেধক "শব্দলীলা"র জন্ম হল মুর্শিদাবাদে


সমাজ সংস্কৃতি প্রতিষেধক "শব্দলীলা"। কবিতার প্রমে পড়ে হাইকুর সংস্পর্শে এসে একনতুন ধরণের কবিতার উদ্ভব ঘটালেন মু্র্শিদাবাদের কবি ষষ্ঠী কুমার দাস। খোদ তিনিই বর্ণনা করলেন তাঁর রচিত প্রেমিকা শব্দলীলাসম্পর্কে। তিনি এখন রীতিমতো মেতে এই প্রেমলীলায়।

       বাংলা সাহিত্য আঙ্গিনায় নতুন কাব্যধারার কবিতা "শব্দলীলা"। অনু-কবিতার প্রেমে পড়ে নতুন ধারার "শব্দলীলা" কবিতার ভাবনা মনে এল, শব্দ নিয়ে লীলা বা খেলা করতে করতে। শব্দলীলা কবিতার নামকরণে ব্যবহারিত শব্দটিকে নিয়েই ঐ কবিতায় লীলা করা হয়েছে। 
"শব্দলীলা" এই নতুন ধারার কবিতায় নিদিষ্ট গঠনশৈলী, শব্দের অর্থশক্তি, শব্দশ্লেষ, প্রয়োগ করে সমাজে প্রচলিত সিস্টেমের প্রতি বিদ্রূপ বক্রোক্তি কবিতা হিসেবে উপস্থিত করেছি। আমার বিশ্বাস "শব্দলীলা" কবিতা সমাজ ব্যাধির ঔষধ হিসেবে  কাজ করবে। কবিগন শব্দবাণে কুসংস্কার, কুপ্রথা, কুচিন্তা ভাবনাকে প্রতিহত করতে সক্ষম হবে। আর পাঠক শ্রোতা এই অনু-কবিতার মাধ্যমে অল্প সময়ে কবি ও কবিতার অনুভব অনুভূতি বুঝতে পারবে, নিজের মতো করে। 
"শব্দলীলা" কবিতা ভাবসম্প্রসারণ মুলক বড় কবিতার সারসংক্ষেপ বা সারমর্ম রূপ। আপনার লালন পালন ও আশীর্বাদ নিয়ে সমাজ ব্যাধির ঔষধ হিসেবে কাজ করুক। "শব্দলীলা" কবিতার নতুন কাব্যধারা বিদগ্ধ পণ্ডিত ও বুদ্ধিজীবী বোদ্ধা দ্বারা সমালোচনায় সঠিক দিশা পাবে।


"শব্দলীলা" কবিতার গঠণশৈলী
ক) শব্দলীলা কবিতার তিনটি লাইনের কবিতা। খ) প্রতিটি লাইনে আবার দু'টি পর্ব থাকছে।  গ) প্রতিটি লাইনের প্রথম পর্বের শুরুর ও দ্বিতীয় পর্বের শেষের বর্ণ একই, বা উচ্চারণগত একই বর্ণ থাকছে। ঘ) শব্দলীলা কবিতায় প্রথম লাইনে ৫-৫,  দ্বিতীয় লাইনে ৭-৭, ও তৃতীয় ৫-৫ সিলেবল/ এক ঝোকে উচ্চারণ হিসেবে মাত্রা গণনা করে লেখা হয়েছে ।  ঙ) প্রতিটি লাইনের প্রথম পর্বের বর্ণ ও অন্ত্যমিল বাধ্যতামূলক। চ) শব্দলীলা কবিতার নামকরণের শব্দটির দুটি শব্দাংশে বিভক্ত থাকছে। ছ) নামকরণে ব্যবহৃত শব্দাংশ দু'টি পৃথক অর্থ সেই কবিতায় প্রকাশ করছে। জ)  নামকরণে ব্যবহৃত শব্দটি অবশ্যই সেই কবিতায় ব্যবহার করা হয়েছে। ঝ) শব্দলীলা কবিতার বিষয়বস্তুর বক্তব্য  অবশ্যই সমাজ কেন্দ্রিক। তবে বিভিন্নতা থাকতেই পারে। ঞ) শ্লেষাত্বক ভাব গম্ভীরতা থাকছে, তবে সাধারণ পাঠকের নাগালের মধ্যে রেখেছি। ট) একটি নির্দিষ্ট ভাবনা, পূর্ণাঙ্গ ভাবে প্রকাশে একাধিক শব্দলীলা সমন্বয়ে বা সিরিজ লেখা যেতেই পারে। ঠ) একটি নির্দিষ্ট ভাবনাতেই সীমাবদ্ধ থেকে ফরমাট বা গঠনশৈলীর কোন পরিবর্তন করা যাবেনা। ড) একটি শব্দলীলা কবিতায় মোট ৩৪টি সিলেবল বা মাত্রা নিয়ে গঠিত। ঢ) অন্যান্য কবিতার মতো স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত করা যাবে। ণ)   একটি উদাহরণ -
                   বন-ভোজন 
        তোমরা কেন বন  ভোজনে রত?
   বনভোজনে চাই তো  আজ বন সৃজন উৎসব
              প্রকৃতি শক্তি  মুক্তি হে বিপ্র। 


তাঁর কথায়, মনে রাখবেন নতুন ধারার "শব্দলীলা" কবিতার সৃষ্টি কর্তা স্বয়ং আমি ষষ্ঠী কুমার দাস। তাই আমি গঠণগত বৈশিষ্ট্য বা গঠনশৈলী ও অন্যান্য বৈ‌শিষ্ট্য রেখেছি তার কোন প্রকার পরিবর্তন করার অধিকার আপনার নেই। আপনার লেখার পাণ্ডিত্য প্রদর্শন ও শ্রীবৃদ্ধিতে "শব্দলীলা" কবিতা অনুকরণ নয় অনুসরণ করবেন।



No comments

Powered by Blogger.