যথেষ্ট মুনশিয়ানার পরিচয় বহন করছে, অন্যান্য পত্রিকায় খুব একটা আমার চোখে পড়েনি | সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
যথেষ্ট মুনশিয়ানার পরিচয় বহন করছে, অন্যান্য
পত্রিকায় খুব একটা আমার চোখে পড়েনি
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
পুজোয় আর লেখা নয়, বাংলাদেশ ডাকছে। তাই সময়ের
অবকাশে পড়ে ফেললাম "অনুভূতির কথায়"। আজকে বলবো "অনুভূতির কথায়"
প্রথম বর্ষ প্রথম সংখ্যার কথাই। এই পত্রিকাটি বিশ্ববঙ্গ বাংলা সাহিত্য একাডেমি অনুমোদিত একটি পত্রিকা। গতকাল সম্পাদক হামিম হোসেন মণ্ডল সম্পাদিত এই পত্রিকাটি প্রকাশ পেল কলকাতায়। পত্রিকাটি নিয়ে আলোচনার একটি
বিশেষ কারণ হল - পত্রিকাটি গ্রাফিক্স, অক্ষর বিন্যাস এবং মুদ্রণ, বিশেষ করে
পৃষ্ঠাসজ্জা এবং সূচিপত্র যথেষ্ট মুনশিয়ানার পরিচয় বহন করছে। প্রথম বিভাগ
প্রচ্ছদ কথন পত্রিকাটির একটি অভিনবত্ব, সবটাই পড়লাম। "আগামী নাগরিকের জন্য যে রকম পৃথিবী কাম্য" - মীম মিজান, "শিশুর সামাজিকীকরন ও বিকাশের দিক" - হামিম হোসেন
মণ্ডল, "রক্তের বন্ধন ভীষণ দামি" - আরিফুল ইসলাম সাহাজি, "শিশুদের মানসিক গঠনে পরিবারের ভূমিকা" - আবু
তাহের, - লেখাগুলো যথেষ্ট প্রশংসার দাবি রাখে এবং আজকের দিনে এই
ধরনের লেখা অন্যান্য পত্রিকায় খুব একটা আমার চোখে পড়েনি। সামাজিক
দায়বদ্ধতা নিয়ে লেখা দিয়ে পত্রিকাটি শুরু, যেটি যথেষ্ট প্রশংসার দাবি রাখে, বিশেষ করে বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে।
এরপর যখন কবিতা পাতায় এলাম, বহু বিশিষ্ট গুনী ও
প্রিয় কবি সাহিত্যিকদের কবিতা দেখলাম। প্রিয় দিদির স্বপ্ন সত্য – কৃষ্ণা বসু, প্রিয় দাদার লেখা
আলেয়াগন্ধ – অরুণ কুমার চক্রবর্তী, মন ছুঁয়ে
গেলো। তারপর আর কি বলি! সকল পরিচিতি বিশিষ্ট অনেক প্রিয় কাব্য সাথীর লেখা ও
সৃষ্টি পড়ে এটা বেশ পরিষ্কার যে লিটল ম্যাগাজিন মানে লিটিল নয়, তার একটা বিশাল ব্যাপ্তি ও বৃহৎ পরিসরে কাজ হলো সাহিত্য সৃষ্টির সৃজন ধারাকে
অব্যাহত রেখে নিয়ে বাংলা সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখা ও বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করা, আর সেই লক্ষ্যে এই
পত্রিকাটি অগ্রসর হয়েছে।
পত্রিকাটিতে কবিতার চয়ন ও কাব্য ভাবনার বিষয়টি
লক্ষ্য করার মতন। পৃষ্ঠাসমূহের সজ্জা এবং উপস্থাপনা গভীরভাবে মনে দাগ কেটে যায়।
পত্রিকাটিতে প্রত্যক বিভাগে লেখাগুলো সুচিন্তিত। কবিতাগুচ্ছ এবং অণুগল্প প্রশংসার দাবী
রাখে। আমি সাফল্য কামনা করছি।







No comments
Post a Comment